বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজ শিক্ষাব্যবস্থা


ক্যাডেট কলেজ সামরিক বাহিনী পরিচালিত বিশেষ ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ক্যাডেটসমূহ বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনে এক গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে উন্নত শিক্ষামান, আবাসিক পরিবেশ স্বাস্থ্য-পরিপাটিতে পরিচালিত হয় ক্যাডেট কলেজ। মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক সমন্বিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ৭ম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ এখানে। উচ্চ শিক্ষায় প্রবেশ করার পূর্ব পর্যন্ত মাসসম্মত শিক্ষা নিশ্চিন্তের সাথে সাথে চমৎকার পরিবেশে শিক্ষাগ্রহণের সুব্যবস্থা ক্যাডেটে কলেজের প্রধান আকর্ষণ। এসব দিক বিবেচনায় বাংলাদেশের অভিভাবকদের অতি আকাঙ্ক্ষিত চাহিদা ক্যাডেট কলেজে সন্তান ভর্তি করানো। এ ব্যবস্থা বর্তমানে বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আর তাই সারাদেশের অভিভাবকদের চাহিদা মাত্র ৯টি ছেলে ৩টি মেয়েদের ক্যাডেটে কলেজে প্রতি। ভর্তির জন্য তাই কঠিনতম প্রতিযোগিতা।

বাংলাদেশে (তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে) প্রথম ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রাম জেলার ফৌজদারহাটে ১৯৫৮ সালে। প্রথমে এ কলেজের নাম রাখা হয় ইস্ট পাকিস্তান ক্যাডেট কলেজ। পরবর্তীকালে কলেজের নাম হয় ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ। নিউজিল্যান্ড সেনা কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট কর্নেল স্যার উইলিয়াম মরিস ব্রাউন ইংল্যান্ডে বসবাস করছিলেন এবং সেখানকার পাবলিক স্কুলের কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তৎকালিন রাষ্ট্রীয় অনুরোধে স্যার ব্রাউন পূর্ব পাকিস্তানে আসেন এবং ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তিনি এই কলেজে দীর্ঘ ৭ বছর অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৬০ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক সরকারের উদ্যোগে ঢাকায় রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল নামে একটি আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়। এটি প্রতিষ্ঠায় অনেকাংশে ক্যাডেট কলেজের অনুকরণ করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭০ সালে কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পাবনা ও রংপুর জেলায় রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়। এগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলটি কেবল মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়। ক্যাডেট কলেজ ও রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল দুটি একই ধারার আবিসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হরেও এদের মধ্যে কিছু মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান। ক্যাডেট কলেজ পরিচালনার দায়িত্ব অর্পিত থাকে সরাসরি সেনা বাহিনী সদর দপ্তরের উপর। কিন্তু দেশের অন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব থাকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর।

১৯৭৮ সাল থেকে পূর্বে প্রতিষ্ঠিত রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুলগুলোকে ক্যাডেট কলেজে রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়। প্রথমে উক্ত বছরেই সিলেট ও রংপুরের রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল দুটিকে ক্যাডেট কলেজে রূপান্তর করা হয়। ১৯৮১ সালে বরিশাল ও পাবনা ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা, ১৯৮২ সালে ময়মনসিংহ রেসিডেন্সিয়ার মডেল স্কুলটিকে গার্লস ক্যাডেট কলেজ, ১৯৮৩ সালে কুমিল্লা রেসিডেন্সিয়ালটিকে ক্যাডেট কলেজে রূপান্তরিত হয়। এভাবে বাংলাদেশে সর্বমোট ক্যাডেট কলেজের সংখ্যা দাঁড়ায় ১০ টিতে। ২০০৬ সালে সরকারের বিশেষ উদ্যোগে আরও দুইটি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। দুইটি কলেজই মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়েছে। এর একটি ফেনী জেলায় এবং অন্যটি জয়পুরহাট জেলায়। বর্তমানে ৯ টি ছেলেদের, ৩ টি মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত ক্যাডেট কলেজ।

ক্যাডেট কলেজে ভর্তির জন্য যা কিছু জানা প্রয়োজন

সাধারণত প্রতি বছর নভেম্বরে ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষার অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের কাজ শুরু হয়। তা চলে ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় জানুয়ারিতে। ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা কী, কীভাবে আবেদন করা যায়, আবেদন ফি কত, আবেদনের সময় কী কী কাগজপত্র লাগবে তা জানতে হবে সবার আগে। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তির চেয়ে ক্যাডেট কলেজগুলোতে নিয়ম-কানুনগুলো একটু ভিন্ন। সেসব নিয়মনীতি কর্তৃপক্ষ অবলোকন করে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে।

বর্তমানে দেশে ১২টি ক্যাডেট কলেজে ৬০০ ক্যাডেট ভর্তি করা হয় প্রতি বছর। ৬০০ সিটের জন্য দ্বিগুণ প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য রাখা হয়। ভর্তির পর ৭ম এবং ৮ম শ্রেণিকে ফাউন্ডেশন লেভেল ধরা হয়। এই ফাউন্ডেশন লেভেলে কলেজের সমস্ত কর্মকাণ্ড যেগুলো তাদের কাছে নতুন সেগুলোর পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় এবং ইংরেজির ভিত শক্ত করা হয়।

আবেদনের যোগ্যতা

ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণে ইচ্ছুকদের অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। এ ছাড়া তাদের ৬ষ্ঠ শ্রেণি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে, নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বয়স হতে হবে সর্বোচ্চ ১৪ বছর। ছেলে ও মেয়ে উভয়েরই উচ্চতা থাকতে হবে কমপক্ষে ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি। ইতিমধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে পারে নি এমন শিক্ষার্থীরা আবেদনের অযোগ্য। এ ছাড়া বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা যেমন গ্রস নক নী, ফ্ল্যাট ফুট, বর্ণান্ধ, অতিরিক্ত ওজন এবং বিভিন্ন রোগ যেমন- এজমা, মৃগী, হৃদরোগ, বাত, যক্ষ্মা, পুরনো আমাশয়, হেপাটাইটিস, রাতকানা, ডায়াবেটিসসহ আরও কয়েকটি রোগে আক্রান্ত শিক্ষার্থীরা আবেদনের অযোগ্য বিবেচিত হয়।

আবেদনের নিয়ম

ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এ জন্য শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের ব্যবহার করতে হবে www.cadetcollege.army.mil.bd এই ওয়েবসাইটি। আবেদনের সময় প্রার্থীদের অনাধিক ১৮০x২১০ এবং ২০০ কিলোবাইটের পাসপোর্ট সাইজের ছবি ব্যবহার করতে হবে। ছবি অবশ্যই ১৫ দিনের বেশি পুরনো হওয়া যাবে না।

আবেদন ফি ও জমাদান পদ্ধতি

প্রার্থীরা পরীক্ষার আবেদন ফি Trust Bank Mobile Money, Q Cash অথবা টেলিটক প্রিপেইড সিমসংবলিত যেকোনো মোবাইল থেকে এসএমএস- এই তিনটির যেকোনো একটি মাধ্যম ব্যবহার করে জমা দিতে পারবে। তবে মাধ্যমভেদে পরীক্ষার ফি’র পার্থক্য রয়েছে।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও জমাদান পদ্ধতি

- প্রার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বা প্রাথমিক ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার সত্যায়িত সনদপত্র;
- ৫ম শ্রেণিতে ইংরেজি মাধ্যমে অধ্যয়নকৃত শিক্ষার্থীদের তাদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক উত্তীর্ণের প্রত্যয়নপত্র;
- প্রার্থীর জন্মনিবন্ধন বা জন্ম সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি;
- প্রার্থীর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক ষষ্ঠ বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণের সাল উল্লেখপূর্বক সনদপত্র;
- ফলাফল প্রকাশিত না হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান কর্তৃক প্রার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে এই মর্মে প্রদত্ত সনদ;
- প্রার্থীর বাবা-মা বা অভিভাবকের মাসিক আয়ের স্বপক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়নপত্র;
- প্রার্থীর অভিভাবক বা বাবা-মা উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি (পরিচয়পত্র না থাকলে যথাযথ কারণ প্রদর্শনপূর্বক প্রত্যয়নপত্র) এবং অনলাইন আবদেনপত্রে আপলোড করা প্রার্থীর ছবির অনুরূপ পাসপোর্ট এবং স্ট্যাম্প সাইজের রঙিন ছবি।

সফলভাবে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণের পর উক্ত কাগজপত্রাদি ১৫x১০ ইঞ্চি খামের উপরে প্রার্থীর ইনডেক্স নম্বর ও পরীক্ষা কেন্দ্রের নাম উল্লেখপূর্বক নির্ধারিত তারিখের মধ্যে প্রার্থীর প্রবেশপত্রে উল্লিখিত পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্যাডেট কলেজের ঠিকানায় রেজিস্টার্ড ডাক বা বাহকের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, কোটা সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রার্থীদের অবশ্যই ক্যাডেট কলেজগুলোর ‘ই-বুথ আউটলেট’র মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। সেক্ষেত্রে কোটাধারীদের তাদের সংশ্লিষ্ট কোটার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজসহ অন্যান্য কাগজপত্র ও ছবির সফট কপি সঙ্গে আনতে হবে। উল্লেখ্য, প্রার্থী ও অভিভাবকদের সুবিধার্থে অনলাইনে আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি জমাদানের জন্য প্রতিটি ক্যাডেট কলেজে এবং ঢাকা আর্মি স্টেডিয়ামে একটি করে ‘ই-বুথ আউটলেট’ স্থাপন করা হয়েছে। এ সব ই-বুথে উপস্থিত হয়ে অনলাইনে আবেদন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে।

পরীক্ষার মাধ্যম

বাংলা ও ইংরেজি, এ দুটি মাধ্যমে পরীক্ষা দেওয়া যায়। তবে প্রার্থীকে যেকোনো একটি মাধ্যম বেছে নিতে হবে।

পরীক্ষা পদ্ধতি

মোট ৩০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে প্রাথমিক ধাপ ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা। ভাইভা ও স্যুটবিলিটি টেস্টের জন্য ১০০ নম্বর।

লিখিত পরীক্ষার মানবণ্টন

বাংলায়- ৪০, ইংরেজিতে-৬৫, গণিতে- ৫৫ এবং বিজ্ঞান, তথ্য প্রযুক্তি ও সাধারণ জ্ঞানে- ৪০ নম্বর, মোট ২০০ নম্বর।
ভাইভা- ৫০ নম্বর ও স্যুটবিলিটি টেস্টের জন্য রয়েছে ৫০ নম্বর।
এ ছাড়া রয়েছে স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা। উল্লিখিত সব ধাপের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নিয়ে মৌখিক ও স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা এবং এবং স্যুটাবিলিটি টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।

পরীক্ষার প্রস্তুতি

ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষা অন্যান্য পাবলিক পরীক্ষা থেকে ভিন্ন ধরনের। তাই এ পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেতে দরকার দীর্ঘ প্রস্তুতি, কঠোর অধ্যবসায় ও সঠিক গাইডলাইন। নিয়মিত পড়াশোনা এতে বড় সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

উল্লেখ্য, ক্যাডেট ভর্তি পরীক্ষাসংক্রান্ত বিস্তারিত জানতে www.cadetcollege.army.mil.bd ওয়েবসাইটটি ভিজিট কর। সশস্ত্র বাহিনীতে যোগদানে অগ্রাধিকার : ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনা শেষে ক্যাডেটদের সশস্ত্র বাহিনীর কমিশন্ড অফিসার পদে নির্বাচনী পরীক্ষায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে ক্যাডেটদের শুধু ISSB পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েই সশস্ত্র বাহিনীতে যোগদান করা যায় এবং তা বাধ্যতামূলক।

বাংলাদেশের ক্যডেটে কলেজসমূহের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

১. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ
প্রতিষ্ঠা : এপ্রিল ২৮, ১৯৫৮
ফৌজদারহাট, সীতাকুণ্ড উপজেলা, চট্টগ্রাম জেলা

২. ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ
প্রতিষ্ঠা : ১৯৬৩
ঝিনাইদহ শহর থেকে ২ কিমি উত্তরে ঝিনাউদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের পাশে

৩. মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ
প্রতিষ্ঠা : জানুয়ারি ৯, ১৯৬৫
টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলা; ঢাকা-টাঙ্গাইল ট্রাঙ্ক রোডের পাশে

৪. রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ
প্রতিষ্ঠা : ফেব্রুয়ারি ১১, ১৯৬৬
সারদা, চারঘাট উপজেলা।

৫. সিলেট ক্যাডেট কলেজ
প্রতিষ্ঠা : ১৯৭৮

৬. রংপুর ক্যাডেট কলেজ
প্রতিষ্ঠা : জুলাই ১, ১৯৭৯
রংপুর, আশরতপুর, রংপুর সদর উপজেলা

৭. বরিশাল ক্যাডেট কলেজ
প্রতিষ্ঠা : ১৯৮১

৮. পাবনা ক্যাডেট কলেজ
প্রতিষ্ঠা : আগষ্ট ৭, ১৯৮১
জালালপুর, পাবনা সদর উপজেলা

৯. ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ
প্রতিষ্ঠা : ১৯৮২

১০. কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ
প্রতিষ্ঠা : ১৯৮৩

১১. ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ
প্রতিষ্ঠা : ২০০৬

১২. জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ
প্রতিষ্ঠা : ২০০৬