Higher Secondary School Certificate(HSC)


স্কুল পেরিয়ে এবং উচ্চ শিক্ষার মাঝের ধাপটি পেরিয়ে HSC বা উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি নিয়ে এ ধাপটি। দেশের একজন নাগরিকের স্বপ্নময় জীবন গড়ার জন্য উচ্চ শিক্ষা স্তরের প্রবেশ দ্বার এই HSC. মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে গৃহিত পাবলিক পরীক্ষা HSC-র মাধ্যমেই একজন শিক্ষার্থী ভবিষ্যৎ দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে বেড়ে উঠার সুযোগ তৈরি করতে পারে। HSC পরীক্ষার পরই Medical, Engineering বা বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক উচ্চশিক্ষা অর্জন এবং পরবর্তী পেশাগত জীবনের পথ তৈরি করে। তাই নিজেকে যথাযথ ভাবে তৈরি করতে HSC খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। অথচ এ সময়টা মাত্র ২ বছর। এ দুবছরে উচ্চ মাধ্যমিক ভর্তি, অধ্যয়ন, HSC পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও ফলাফল সবই। শুধু অধ্যয়ন পর্যায় হিসেব করলে ২ বছর নয়; আরও কম সময়। সে দিক বিবেচনায় সময়ের যথাযথ ব্যবহারে পাঠঅনুশীলন সমাপ্ত করতে হবে। এক্ষেত্রে সুষ্ঠু ও যথাযথ প্রস্তুতির জন্য বার বার পাঠঅনুশীলন আর মডেল টেস্ট দিয়ে নিজেকে গড়ে তুলতে হবে।

উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়েও প্রধানত তিনটি বিভাগ। বিজ্ঞান, ব্যবসায় শাখা, মানবিক। বিজ্ঞান শাখা থেকে মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিংসহ প্রযুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে পারে। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও হিসাব সংক্রান্ত বিষয়াবলীতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। মানবিক শাখা থেকে উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে সমাজ-গবেষণা বিষয় বিষয়াবলিতেই প্রধানত উচ্চশিক্ষা নিতে পারে। সকল বিভাগ থেকেই BCS-এর মাধ্যমে রাষ্ট্রিয় প্রশাসন বা রাষ্ট্রিয় বিভিন্ন পর্যায়ে ক্যাডার-নন ক্যাডারভুক্ত পেশায় প্রবেশ করতে পারবে। আর এসব বিবেচনাতেই উচ্চ মাধ্যমিক স্তরটি খুবই গুরুত্ব পূর্ণ অধ্যায়।

সৃজনশীল ও নৈর্ব্যক্তিক অভীক্ষা (MCQ)- দুই ধারাতেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত। বিজ্ঞান বিভাগসহ কতিপয় বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষাও আছে। পরীক্ষার ভাল ও সন্তোষজনক ফলাফল করতে হলে প্রতিটি বিষয়ে ভাল করতে হবে। কলেজের নিয়মতান্ত্রিক পড়াশুনার পরও শিক্ষার্থীদের নিজস্ব উদ্যাগে পাঠঅনুশীলনের ব্যবস্থা করতে হয়। বিষয়ভিত্তিক পাঠঅনুশীলনে সবসময় মানসম্মত শিক্ষক কিংবা প্রয়োজনীয় শিক্ষক পাওয়া দুরুহ হয়ে ওঠে। আবার শিক্ষক পেলেও বিষয়ভিত্তিক পাঠঅনুশীলনে অর্থের সংস্থানও বেড়ে যায়। সাথে সাথে পুরো সিলেবাস শেষকরার সময় সংকীর্ণতার ব্যাপরও আছে। এমন নানাবিধ সমস্যায় পাঠঅনুশীলনে অনেকেই পিছিয়ে পড়ে। যথাযথ পাঠঅনুশীলনেও বিঘ্ন ঘটে।

BD Online Academy সারা দেশে একই মানসম্মত পাঠঅনুশীলন ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রযুক্তি নির্ভর হওয়ায় দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে আমাদের সেবা গ্রহণ করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।

মানসম্মত শিক্ষা উপকরণে পাঠঅনুশীলনে আমাদের এ আয়োজন। HSC পরীক্ষায় সাফল্যময় ভবিষ্যৎ গড়তে আমরা পাঠ্যবইয়ের পাঠঅনুশীলন সাজিয়েছি। পর্যায়ক্রমিক ও ধারাবাহিক পাঠগ্রহণ এবং আমাদের আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে শিক্ষার্থীরা। বিষয়ভিত্তিক পাঠগ্রহণ আর পরীক্ষাগুলো একজন শিক্ষার্থীকে দেবে পরীক্ষার পূর্ণ প্রস্তুতি। অর্থ এবং সময়- দুটোই সাশ্রয় হবে এতে। বাড়তি হিসেবে পরীক্ষা পরবর্তী উচ্চশিক্ষা অর্জনের অনুশীলনে একধাপ এগিয়ে রাখবে। এভাবে একজন শিক্ষার্থী নিজেকে গড়ে তোলার চমৎকার সুযোগ পাচ্ছে। সুন্দর ও সাফল্যময় ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য যথাযথ পাঠঅনুশীলনে স্বপ্নকে এগিয়ে নিতেই BD Online Academy-র শিক্ষাসেবা কার্যক্রম।