বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি


স্কুল কলেজ পেরিয়ে উচ্চ শিক্ষার প্রবেশদ্বার ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা’। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির মাধ্যমে উচ্চ শিক্ষার মহাসড়কে প্রবেশ করে একজন শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মাধ্যমে অভিজাত পেশাগত জীবনেও প্রবেশ করতে পারে, আবার গবেষণার মাধ্যমে মানব কল্যাণেও ভূমিকা রাখতে পারে একজন নাগরিক। সভ্যতাকে বিকশিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাই মৌলিক ও অগ্রণী ভূমিকা রাখে। শিক্ষায় এগিয়ে আসা একজন নাগরিকের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা অর্জন পরম চাওয়া।

HSC উত্তীর্ণের পর সে পাঠ্যসূচির আলোকেই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষার আসনের তুলনায় প্রার্থী অনেক অনেক বেশি। আর তাই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা হয় তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ৩ ধারায় শিক্ষা ব্যবস্থা প্রচলিত। ধারা ৩টি বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও কলা। বিশ্ববিদ্যায়ে ভর্তিও প্রধানত এ তিন ধারায়। এর বাইরেও কিছু পেশাগত-সংস্কৃতিগত বিষয়ের জন্যও আলাদা ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ

বাংলাদেশে ৬টি ক্যাটাগরিতে ৩৭টি পাবলিক তথা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এর মধ্যে স্পেশাল ক্যাটাগরির ৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাতীত অবশিষ্ট ৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয়েই তীব্র ভর্তি পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়ে একজন প্রার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করতে হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার আয়োজক কে?

বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্বায়ত্বশাষিত প্রতিষ্ঠান। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়েই রয়েছে নিজস্ব ভর্তিনীতিমালা। তাই প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ই তাদের নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ি ভর্তি পরীক্ষার সার্কুলার ও নির্র্দেশিকা প্রকাশ করে। সার্কুলারে উল্লিখিত তারিখেই অনুষ্ঠিত হয় স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা। আমাদের এখানে ক্যাটাগরি ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় দেওয়া ওয়েভ ঠিকানাও যোগাযোগ করতে পারো।

ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা

দেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৩৩টিতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে হয়। ভর্তির যোগ্যতা প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিন্ন হলেও খুব একটা ব্যবধান নেই। তবে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও কলা শাখায় নূন্যতম যোগ্যতায় ভিন্নতা আছে।

বিজ্ঞান শাখা

প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয়েই বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য SSC ও HSC-র নূন্যতম ফলাফল ৬.৫-৮ জি.পি.এ হতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়সমূহ

পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, গণিত। মূলত এ চারটি বিষয়ই থাকে। তবে কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ কোনো বিষয়ে অতিরিক্ত বা ভিন্ন কোনো একটি বিষয়েও পরীক্ষা নিতে পারে। পরীক্ষার পূর্ণ নম্বর বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিতে ভিন্ন ভিন্ন হয়। তবে তা ৮০ থেকে ১২০ পর্যন্ত হয়।

ব্যবসায় শিক্ষা

ব্যবসায় শাখা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে ভর্তি হতে পারে। SSC ও HSC-র নূন্যতম ফলাফল ৬.০ থেকে ৭.৫ জি.পি.এ হতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়সমূহ

উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বাংলা, ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ, মার্কেটিং, ফিন্যান্স- এ বিষয়ই থাকে। এগুলোর মধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ক কোন একটি ঐচ্ছিকও হতে পারে।

কলা শাখা

কলা (মানবিক) শাখা থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই কলা শাখায় ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারে। SSC ও HSC -র নূন্যতম ফলাফল ৬.০ থেকে ৬.৫ জিপিএ হতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার বিষয়সমূহ

মানবিক শাখায় অনেক বিষয় থাকে। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ বিষায়াবলী ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী- প্রধানত এ ৪টি বিষয় থাকে। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ কোনো বিষয়েরও পরীক্ষা গ্রহণ করে।

বিভাগ পরিবর্তন

বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় শিক্ষা বা মানবিক শাখার কোনো কোনো বিষয়ে ভর্তি হতে পারবে। ব্যবসায় শাখার শিক্ষার্থীরা মানবিক শাখার বা বিজ্ঞান বিভাগের কোনো কোনো বিষয়ে ভর্তি হতে পারবে।

মানবিক শাখার শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান বিভাগের গণিত, পরিসংখ্যান ইত্যাদি বা ব্যবসায় শাখার কোনো কোনো বিষয়ে ভর্তি হতে পারবে।

এই বিভাগ পরিবর্তনের জন্য অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকে।

বিভাগ পরিবর্তনের বিষয়সমূহ

বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়ক) ও সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়ক)- এ চারটি বিষয়ই সাধারণত থাকে।

কীভাবে প্রস্তুতি নিবে?

HSC পরীক্ষার পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকবে। এ ভর্তি পরীক্ষা শুধু পাশ বা GPA প্রাপ্তির হিসাব নয়, যোগ্যতা নিরূপণের বিষয়। ভর্তির জন্য নিজেকে যোগ্য করার সক্ষমতা অর্জনই (Qualify) এ ভর্তি পরীক্ষা। লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীদের মাঝ থেকে তোমাকে কোয়ালিফাই করতে হবে । তোমার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হবে। HSC-র নির্ধারিত পাঠ্যবই থেকে ভর্তিপরীক্ষার নির্ধারিত বিষয়েরই সূক্ষাতিসূক্ষ MCQ প্রশ্নের মাধ্যমে তোমার মেধা ও বুদ্ধিদীপ্ততার যাচাই করা হবে। আর এমনি যাচাই পরীক্ষার মাধ্যমে তোমাদের চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা হবে।

মূল্য পাঠ্যবইয়ের অধ্যায় ভিত্তিক বৈচিত্র্যময় প্রশ্ন নিয়ে তৈরি করা হয় প্রতি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। মূল পাঠ্যবইয়ের অনুশীলন আর চর্চার বিকল্প নেই। মেধার সাথে বুদ্ধির চৌকষই বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার ভিন্নতা। তাই অনুশীলন ও চর্চার অধ্যাবসায়ে থাকতে হবে। একাগ্রতায় বেশি বেশি অনুশীলন করতে হবে।

যতবেশি অনুশীলনমূলক পরীক্ষা তত বেশি আত্মবিশ্বাসে বেড়ে ওঠার সম্ভাবনা। এভাবেই তোমরা অনুশীলন পরীক্ষা আর পাঠ অনুশীলনে প্রস্তুতি নিবে।

আমাদের আয়োজন

নির্ধারিত সিলেবাসের বিষয়ভিত্তিক MCQ-র প্রশ্নে গড়ে উঠেছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি আয়োজন। প্রচুর প্রশ্নের বিশাল ভান্ডার। আমাদের এখানে প্রতি পরীক্ষাতেই নতুন নতুন প্রশ্নে অনুষ্ঠিত হয় আমাদের প্রিপারেশন টেস্ট। সর্বশেষ তথ্য ও তত্ত্ব নিয়ে আমাদের এই বিশাল ভান্ডার প্রার্থীকে দেবে বার বার অনুশীলনের সুযোগ। নিজেকে আত্মবিশ্বাসে গড়ে তুলতে আমাদের জগতে স্বাগতম।

আমাদের থেকে সুবিধাপ্রাপ্তি

সময়কে নষ্ট না করে সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহারে অনলাইনে অনুশীলনমূলক প্রিপারেশন টেস্ট দিতে পারবে। আমাদের কেন্দ্রে বসে সরাসরি Mock Exam হুবহু বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার মতোই অনুষ্ঠিত হবে।

নিজের দূর্বল বিষয়গুলোকে চর্চায় আরো মজবুতি করতে আমাদের অনলাইন প্রিপারেশন টেস্টগুলো বিশেষ উপযোগী। নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে বা সবগুলো বিষয় নিয়ে বার বার প্রিপারেশন টেস্ট দিতে পারবে। প্রতিটি পরীক্ষাতেই স্ব স্ব বিষয়ের নতুন নতুন প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে আর এভাবেই অনুশীলনে একজন প্রার্থী সক্ষমতায় নিজেকে গড়ে তোলার পথ পাবে।

আমাদের পরীক্ষার প্রকৃতি

  • প্রিপারেশন টেস্ট (যে কোনো ০৩ বিষয়) : বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাসের প্রার্থীর পছন্দনীয় যে কোনো ০৩টি বিষয়ে ১০০ নম্বরের MCQ প্রিপারেশন টেস্ট নেওয়া হবে। পরীক্ষার সময় ১ ঘন্টা। পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়া হবে। একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ৩টি প্রিপারেশন টেস্ট দিতে পারবে।
  • প্রিপারেশন টেস্ট (সকল বিষয়) : নির্ধারিত মূল পরীক্ষার নির্ধারিত সিলেবাসের সবগুলো বিষয় নিয়ে ১০০ নম্বরের MCQ পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়া হবে। একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ৩টি প্রিপারেশন টেস্ট দিতে পারবে।
  • Mock Exam : নির্ধারিত মূল পরীক্ষার আদলে নির্ধারিত সিলেবাসের পূর্ণমান ও সময় অনুযায়ি পরীক্ষা হলে Mock Exam নেওয়া হবে। প্রতি ভুল উত্তরে ০.২৫/০.৩০ নম্বর কাটা হবে। পরীক্ষা আমাদের নিজস্ব কেন্দ্রে প্রতি মাসের ২য় ও ৪র্থ রবিবার অনুষ্ঠিত হবে।

সময় : সকাল ৯-৩০ টা ও বিকাল ৩-০০ টা। স্থান SMS এর মাধ্যমে জানানো হবে। একজন শিক্ষার্থী সকাল বা বিকাল যে কোনো সময়ে সর্বোচ্চ ৪টি প্রিপারেশন Mock Exam দিতে পারবে।

কীভাবে অংশ নিবে?

নিজেকে আরো আত্মপ্রত্যয়ী করে গড়ে তুলতে আমাদের এই অনুশীলন কার্যক্রম। আমাদের সাথে যুক্ত হতে সরাসরি কথা বলুন আমাদের হটলাইন নাম্বার- 01708455075. পছন্দনীয় প্যাকেজ অনুযায়ী বিকাশের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করুন। বিকাশ নং- 01708455076 নাম্বারে আপনার ফি নিশ্চিত হলেই আপনাকে একটি পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। আমাদের প্যাকেজ ব্যবহারে এই পাসওয়ার্ড সবসময় প্রয়োজন হবে।

বিকাশে পেমেন্ট করার নিয়ম

*247# → 3. Payment → Merchant bKash Account No : (01708455076) → Enter Amount →Enter Reference : (Candidates Mobile No.) → Enter Counter No: 1 → Your PIN No → Send.

যে প্রশ্নগুলো জানা দরকার

বিগত বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন এবং আমাদের তৈরি প্রশ্ন মিলে আমাদের বিশাল প্রশ্ন ভাণ্ডার রয়েছে। এ প্রশ্ন ভাণ্ডার থেকে প্রার্থীরা বিষয়ভিত্তিক এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তুতি পরীক্ষা কিংবা Mock Exam এর মাধ্যমে অনুশীলনের সুযোগ পাবে। এমন অনুশীলন আর চর্চায় একজন প্রার্থী নিজের দুর্বল বিষয়গুলো সম্পর্কে আরও সচেতন হয়ে গড়ে উঠতে পারবে। সার্বিকভাবে কোর্সটি একজন প্রার্থীকে প্রতিটি বিষয়ে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে। নিজের সক্ষমতা বাড়িয়ে যোগ্যতায় আস্থাবান হতে সহায়তা করবে।

আমাদের এখানে প্রিপারেশন টেস্ট এর দুটি প্যাকেজ। ১ম প্যাকেজ- প্রাথীর পছন্দনীয় যে কোনো ৩টি বিষয় নিয়ে ১০০ নম্বরের প্রিপারেশন টেস্ট। ২য় প্যাকেজ- ১০টি অর্থাৎ সবগুলো বিষয় নিয়ে ১০০ নম্বরের প্রিপারেশন টেস্ট।

একজন প্রার্থী প্রতি প্যাকেজে ৩টি করে মোট ৬টি প্রিপারেশন টেস্ট দিতে পারবে।

এই সিলেবাসে HSC স্তরের জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিজ্ঞান, গণিত এর সাথে Grammar নির্ভর ইংরেজি এবং বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী নিয়ে সাধারণ জ্ঞান- এই ৬টি বিষয়ে সাজানো আছে। একজন চৌকষ প্রার্থী নির্বাচনে এ ৬টি বিষয় যথাযথ। এখানে সাধারণ জ্ঞানে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সমসাময়িক ঘটনা, তথ্য-উপাত্তের বিষয়গুলো সংযোজন করে বিশাল প্রশ্নের ভাণ্ডার তৈরি করা হয়েছে। আমাদের উপস্থাপিত কোর্সের পরীক্ষাসমূহে পুরো সিলেবাসটাই প্রার্থীর প্রস্তুতির উপযোগী করে তৈরি করা। এখান থেকে প্রস্তুতি নিয়ে একজন প্রার্থী নিজেকে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করতে পারবে। এই সিলেবাসের এবং আমাদের আয়োজন একজন প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ার উপযোগী যথেষ্ঠ আয়োজন।

যেসব বিশ্ববিদ্যালয় উরোক্ত ৬টি বিষয়ের বাইরেও পরীক্ষা নেয়; যেমন- ভূগোল, মনোবিজ্ঞান, ইসলামি শিক্ষা ইত্যাদি; সে সবেরও বিশাল প্রশ্নভান্ডার আমাদের রয়েছে।

প্রতিটি বিষয়ের সর্বশেষ তথ্য, তত্ত্ব সংযোজন করা হয়েছে। বিষয়কে ভালভাবে ধারণ করার জন্য সিলেবাসের সীমায় খুঁটিনাটি প্রশ্নও সংযোজন করা হয়েছে। কৌশলী বুদ্ধিদ্বীপ্ত প্রশ্নেও সাজানো হয়েছে। বিগত বছরের পরীক্ষার প্রশ্নও রাখা হয়েছে। আমাদের রকমারী প্রশ্ন আর বিগত প্রশ্নের সমন্বয়ে প্রার্থীকে সক্ষমতায় গড়ে তোলার মত করে সিলেবাসটি আমরা সাজিয়েছি।

এখানে অনুশীলন আর চর্চা করে প্রার্থীকে আস্থাবান করে তুলবে।

Mock Exam হুবহু বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার মতো করে নেওয়া হবে। সঠিক উত্তরে পূর্ণ নম্বর, ভুল উত্তরে ০.২৫/০.৩০ নম্বর কাটা যাবে। আমাদের কেন্দ্রে এসে পরীক্ষা দিতে হবে। মূল পরীক্ষার আগে ওয়ার্মআপ পরীক্ষা হিসেবে Mock Exam-টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও উপযোগি। একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৪টি Mock Exam দিতে পারবে।

একজন প্রার্থীকে কোচিং সেন্টারে গিয়ে প্রস্তুতি নিতে হয়। এতে ব্যয় অনেক। আবার যাতায়াত ও অন্যান্য কারণেও সময় নষ্ট হয়। এমন প্রস্তুতিক্ষণে প্রার্থীর সময় নষ্টের কোনোই সুযোগ নেই। আমাদের Online প্রিপারেশন টেস্ট কিংবা Mock Exam প্রার্থীর সময় এবং অর্থ সাশ্রয় করবে। প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রচলিত প্রথার চেয়ে আমরা একধাপ এগিয়ে। তাই আমাদের কোর্সটি ক্রয় করা প্রার্থীর জন্য সুবুদ্ধির পরিচয় বলেই মনে করি।

নির্ধারিত ফি দিয়ে পছন্দনীয় কোর্সে অংশ নিতে পারে একজন প্রার্থী। বিকাশের মাধ্যমে কোর্স ফি জমা দেওয়ার পর আমরা ম্যাসেজ নিশ্চিত হব। আমরা নিশ্চিত হওয়ার পাই তার জন্য নির্ধারিত প্যাকেজ একটিভ হবে।

নির্ধারিত মেয়াদে প্রার্থী কোনো পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে তা আপনা আপনি লক হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ঐ লক হওয়া পরীক্ষায় পুনরায় অংশ নিতে হলে, তার পাসওয়ার্ড জানিয়ে ম্যাসেজ দিয়ে আমাদেরকে জানাতে হবে। আমরা যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেব।

এভাবে একজন প্রার্থীকে ২ বারের বেশি সুযোগ দেওয়া হবে না।

যদি কোনো নতুন প্রশ্ন জানার থাকে বা কোনো প্রশ্ন সম্পর্কে মতামত বা আরও তথ্য-তত্ত্ব জানার থাকে, সে ব্যবস্থাও করা আছে। নির্ধারিত কমেন্ট বক্সে প্রশ্ন বা মতামতটি দিতে হবে। মতামত ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জানানো হবে। আর নতুন প্রশ্ন বা প্রশ্ন সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা হলে সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জানানো হবে।