MBBS সম্পর্কে কিছু কথা


আমাদের দেশে উচ্চ শিক্ষার একটি সম্মানজনক অধ্যায় MBBS পড়াশুনা। MBBS সমাপ্ত করে ‘ডাক্তার’ হওয়াটাও তেমনি পেশাগত জীবনের অন্যতম সম্মানজনক পেশা। ডাক্তার হাবার প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি Bachelor of Medical, Bachelor of Surgery বা সংক্ষেপে MBBS ।

বিজ্ঞান বিভাগের ​শিক্ষার্থী যারা এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় এবং এইচএসসি বা সমমানের উভয় পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন ও জীববিদ্যাসহ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই MBBS ভর্তির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে। পেশাগত জীবনে এরা শুধু ডাক্তারই নয় আর্ত-মানবতার সেবকও। আর তাই MBBS পরীক্ষা শিক্ষাজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা।

সম্পূর্ণ Online ভিত্তিক আমাদের এ Medical and Dental কোর্সে থাকবে-
  • প্রতি সপ্তাহে প্রতি বিষয়ে নতুন নতুন প্রশ্ন
  • ভর্তি পরীক্ষার অনুরূপ আমাদের নিজস্ব প্রশ্নে ৫৪টি মডেল টেষ্ট
  • প্রতিটি মডেল টেস্ট হবে ১০০টি প্রশ্নের ১০০ নম্বরে
  • যখন-তখন বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন করার সুযোগ
  • প্রায় ৫০ হাজার প্রশ্নে তৈরি আমাদের প্রশ্নব্যাংক থেকে Study-র সুযোগ
  • বিগত বছরের সমাধানসহ প্রশ্নাবলী।
  • অডিও/ভিডিও লেকচার


সম্পূর্ণ Online ভিত্তিক আমাদের এ Medical and Dental Model Test- এ থাকবে-
  • ভর্তি পরীক্ষার অনুরূপ আমাদের নিজস্ব প্রশ্নে ৫৪টি মডেল টেষ্ট
  • প্রতিটি মডেল টেস্ট হবে ১০০টি প্রশ্নের ১০০ নম্বরে
  • বিগত বছরের প্রশ্নাবলীর ৪৮টি অনলাইন টেস্ট

MBBS ভর্তির আয়োজক কে?

পুরো দেশে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে MBBS ভর্তিতে শিক্ষার্থীর মেধামান সমভাবে নিশ্চিত করতে কেন্দ্রিয়ভাবে একটি ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এ ভর্তি পরীক্ষার আয়োজনে থাকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন’ শাখা। কঠোর মান নিয়ন্ত্রিত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভর্তি পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হয়

ভর্তি সংক্রান্ত যে কোন তথ্য জানার জন্য ওয়েভ ঠিকানা www.dghs.gov.bd

MBBS ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা

সর্বশেষ ২০১৬-২০১৭ শিক্ষাবর্ষের সার্কুলার অনুযায়ী MBBS পরীক্ষার অংশগ্রহণের নূন্যতম যোগ্যতা–

  • ​বাংলাদেশের নাগরিক শিক্ষার্থী যারা ২০১৩ বা ২০১৪ সনে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় এবং ২০১৫ বা ২০১৬ সনে এইচএসসি বা সমমানের উভয় পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন ও জীববিদ্যাসহ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে তারা ভর্তির আবেদন করার যোগ্য হবে। ইংরেজি ২০১৩ সনের পূর্বে এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীরা আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবে না। ​মূলত শিক্ষাবিরতী ১ বৎসর।
  • ​সকল দেশী ও বিদেশী শিক্ষা কার্যক্রমে এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান দুটি পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৯.০০ হতে হবে।
  • ​সকল উপজাতীয় ও পার্বত্য জেলার অ-উপজাতীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৮.০০ হতে হবে। তবে এককভাবে কোন পরীক্ষায় জিপিএ ৩.৫০ এর কম হলে আবেদনের যোগ্য হবেন না।
  • ​সকলের জন্যে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় জীববিজ্ঞানে (Biology) ন্যূনতম জিপি ৩.৫০ থাকতে হবে।

MBBS ভর্তি পরীক্ষার বিষয়সমূহ

  • ​১০০ (একশত) নম্বরের ১০০ (একশত) টি MCQ প্রশ্নের ১ (এক) ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।লিখিত পরীক্ষায় বিষয়ভিত্তিক নম্বর: জীববিদ্যা-৩০; রসায়নবিদ্যা-২৫; পদার্থবিদ্যা-২০; ইংরেজি-১৫; সাধারণ জ্ঞান: বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি-৬, আন্তর্জাতিক-৪।
  • ​লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তর প্রদানের জন্য ০.২৫ নম্বর কর্তন করা হবে।
  • ​লিখিত পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের কম নম্বর প্রাপ্তরা অকৃতকার্য বলে গন্য হবে। শুধু মাত্র কৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের মেধাতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

MBBS ভর্তি পরীক্ষার মেধা তালিকা

S.S.C ও H.S.C-র ফলাফল এবং ভর্তি পরীক্ষার MCQ মিলে মোট ৩০০ নম্বর। এ ৩০০ নম্বরের মধ্যে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থীর মেধা তালিকা করা হবে। মেধাতালিকা করার পদ্ধতি-

  • ​এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ মোট ২০০ নম্বর হিসেবে নির্ধারণ করে নিম্নলিখিতভাবে মূল্যায়ন করা হবে :
    ​ক) এসএসসি/ সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এর ১৫ গুণ = ৭৫ নম্বর (সর্বোচ্চ)
    ​খ) এইএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ এর ২৫ গুণ = ১২৫ নম্বর (সর্বোচ্চ)
    ​গ) MCQ-র মোট নম্বর ​​​​= ১০০
    ​সর্বোমোট নম্বর (ক + খ + গ) = ৩০০।
  • ​ইতিপূর্বে সরকারী মেডিকেল কলেজে ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের ক্ষেত্রে মোট প্রাপ্ত নম্বর থেকে ৫.০০ (পাঁচ) নম্বর কর্তন করে মেধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির নীতিমালা

দেশব্যাপী সরকারি মেডিকেল কলেজের একটি র‌্যাংকিং করা থাকে। ভর্তি আয়োজক কমিটিই এ তালিকা করে থাকে। ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী আয়োজক কর্তৃপক্ষ সরকারি কলেজ নির্দিষ্ট করে তালিকা প্রকাশ করে। সে অনুযায়ী উত্তীর্ণ প্রার্থীরা র‌্যাংকিং নির্দিষ্ট করা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে পারে। পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ি মাইগ্রেশনের মাধ্যমে খুব স্বল্প সংখ্যাক শিক্ষার্থী কলেজ পরিবর্তন করতে পারে। এ দুটি পদ্ধতি ছাড়া প্রার্থীর কোনো অবস্থাতেই নিজের ইচ্ছাধীন কোনো কলেজে ভর্তি হতে বা পরিবর্তন করতে পারবে না।

প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে প্রার্থীরা নিজের পছন্দানুযায়ি ভর্তি হতে পারে। মূল ভর্তি পরীক্ষার উত্তীর্ণ মেধাতালিকার প্রার্থীরাই প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে ভর্তি হবার যোগ্য বলে বিবেচিত। প্রাইভেটের জন্য আলাদা কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেই। MBBS ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয়ে কিংবা ভর্তি পরীক্ষা না দিয়ে কোন শিক্ষার্থী কোনো অবস্থাতেই কোনো প্রাইভেট মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে পারবে না।

কীভাবে প্রস্তুতি নিবে?

HSC পরীক্ষার পরপরই শিক্ষার্থীরা MBBS-এ ভর্তির জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকবে। এ ভর্তি পরীক্ষা শুধু পাশ বা GPA প্রাপ্তির হিসাব নয়, যোগ্যতা নিরূপণের বিষয়। ভর্তির জন্য নিজেকে যোগ্য করার সক্ষমতা অর্জনই (Qualify) এ ভর্তি পরীক্ষা। লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীদের মাঝ থেকে তোমাকে কোয়ালিফাই করতে হবে । তোমার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হবে। HSC-র নির্ধারিত পাঠ্যবই থেকেই সূক্ষাতিসূক্ষ MCQ প্রশ্নের মাধ্যমে তোমার মেধা ও বুদ্ধিদীপ্ততার যাচাই করা হবে। আর এমনি যাচাই পরীক্ষার মাধ্যমে তোমাদের চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করা হবে।

মূল্য পাঠ্যবইয়ের অধ্যায় ভিত্তিক বৈচিত্র্যময় প্রশ্ন নিয়ে তৈরি করা হয় প্রতি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। মূল পাঠ্যবইয়ের অনুশীলন আর চর্চার বিকল্প নেই। মেধার সাথে বুদ্ধির চৌকষই MBBS ভর্তি পরীক্ষার ভিন্নতা। তাই অনুশীলন ও চর্চার অধ্যবসায়ে থাকতে হবে। একাগ্রতায় বেশি বেশি অনুশীলন করতে হবে। যতবেশি অনুশীলনমূলক পরীক্ষা তত বেশি আত্মবিশ্বাসে বেড়ে ওঠার সম্ভাবনা। এভাবেই তোমরা অনুশীলন পরীক্ষা আর পাঠ অনুশীলনে প্রস্তুতি নিবে।

আমাদের আয়োজন

নির্ধারিত সিলেবাসের বিষয় ভিত্তিক MCQ-র প্রশ্নে গড়ে উঠেছে আমাদের MBBS ভর্তি আয়োজন। প্রচুর প্রশ্নের বিশাল ভান্ডার। আমাদের এখানে প্রতি পরীক্ষাতেই নতুন নতুন প্রশ্নে অনুষ্ঠিত হয় আমাদের প্রিপারেশন টেস্ট। সর্বশেষ তথ্য ও তত্ত্ব নিয়ে আমাদের এই বিশাল ভান্ডার প্রার্থীকে দেবে বার বার অনুশীলনের সুযোগ। নিজেকে আত্মবিশ্বাসে গড়ে তুলতে আমাদের জগতে স্বাগতম।

আমাদের থেকে সুবিধাপ্রাপ্তি

সময়কে নষ্ট না করে সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহারে অনলাইনে অনুশীলনমূলক প্রিপারেশন টেস্ট দিতে পারবে। আমাদের কেন্দ্রে বসে সরাসরি Mock Exam হুবহু MBBS ভর্তি পরীক্ষার মতোই অনুষ্ঠিত হবে।

নিজের দূর্বল বিষয়গুলোকে চর্চায় আরো মজবুতি করতে আমাদের অনলাইন প্রিপারেশন টেস্টগুলো বিশেষ উপযোগী। নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে বা সবগুলো বিষয় নিয়ে বার বার প্রিপারেশন টেস্ট দিতে পারবে। প্রতিটি পরীক্ষাতেই স্ব স্ব বিষয়ের নতুন নতুন প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে আর এভাবেই অনুশীলনে একজন প্রার্থী সক্ষমতায় নিজেকে গড়ে তোলার পথ পাবে।

আমাদের পরীক্ষার প্রকৃতি

প্রিপারেশন টেস্ট (যে কোনো ০৩ বিষয়) :

MBBS ভর্তি পরীক্ষার সিলেবাসের প্রার্থীর পছন্দনীয় যে কোনো ০৩টি বিষয়ে ১০০ নম্বরের MCQ প্রিপারেশন টেস্ট নেওয়া হবে। পরীক্ষার সময় ১ ঘন্টা। পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়া হবে। একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ৩টি টেস্ট দিতে পারবে।

প্রিপারেশন টেস্ট (সকল বিষয়) :

নির্ধারিত মূল পরীক্ষার নির্ধারিত সিলেবাসের সবগুলো বিষয় নিয়ে ১০০ নম্বরের MCQ পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়া হবে। একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ ৩টি টেস্ট দিতে পারবে।

Mock Exam :

নির্ধারিত মূল পরীক্ষার আদলে নির্ধারিত সিলেবাসের পূর্ণমান ও সময় অনুযায়ি পরীক্ষা হলে Mock Exam নেওয়া হবে। প্রতি ভুল উত্তরে ০.২৫ নম্বর কাটা হবে। পরীক্ষা আমাদের নিজস্ব কেন্দ্রে প্রতি মাসের ২য় ও ৪র্থ শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

সময় : সকাল ৯-৩০ টা ও বিকাল ৩-০০ টা। স্থান SMS এর মাধ্যমে জানানো হবে। একজন শিক্ষার্থী সকাল বা বিকাল যে কোনো সময়ে সর্বোচ্চ ৪টি Mock Exam দিতে পারবে।

কীভাবে অংশ নিবে?

নিজেকে আরো আত্মপ্রত্যয়ী করে গড়ে তুলতে আমাদের এই অনুশীলন কার্যক্রম। আমাদের সাথে যুক্ত হতে সরাসরি কথা বলতে পারো আমাদের হটলাইন নাম্বার- 01708455075. পছন্দনীয় প্যাকেজ অনুযায়ী বিকাশের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করতে হবে। বিকাশ নং- 01708455076 নাম্বারে। ফি প্রাপ্তি নিশ্চিত হলেই আমাদের পক্ষ থেকে একটি পাসওয়ার্ড দেওয়া হবে। আমাদের প্যাকেজ ব্যবহারে এই পাসওয়ার্ড সবসময় প্রয়োজন হবে।

বিকাশে পেমেন্ট করার নিয়ম

*247# → 3. Payment → Merchant bKash Account No : (01708455076) → Enter Amount →Enter Reference : (Candidates Mobile No.) → Enter Counter No: 1 → Your PIN No → Send.

যে প্রশ্নগুলো জানা দরকার

বিগত MBBS ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন এবং আমাদের তৈরি প্রশ্ন মিলে আমাদের বিশাল প্রশ্ন ভাণ্ডার রয়েছে। এ প্রশ্ন ভাণ্ডার থেকে প্রার্থীরা বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি পরীক্ষা কিংবা Mock Exam এর মাধ্যমে অনুশীলনের সুযোগ পাবে। এমন অনুশীলন আর চর্চায় একজন প্রার্থী নিজের দুর্বল বিষয়গুলো সম্পর্কে আরও সচেতন হয়ে গড়ে উঠতে পারবে। সার্বিকভাবে কোর্সটি একজন প্রার্থীকে প্রতিটি বিষয়ে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে। নিজের সক্ষমতা বাড়িয়ে যোগ্যতায় আস্থাবান হতে সহায়তা করবে।

আমাদের এখানে প্রিপারেশন টেস্ট এর দুটি প্যাকেজ। ১ম প্যাকেজ- প্রার্থীর পছন্দনীয় যে কোনো ৩টি বিষয় নিয়ে ১০০ নম্বরের প্রিপারেশন টেস্ট। ২য় প্যাকেজ- ১০টি অর্থাৎ সবগুলো বিষয় নিয়ে ১০০ নম্বরের প্রিপারেশন টেস্ট।

একজন প্রার্থী প্রতি প্যাকেজে ৩টি করে মোট ৬টি প্রিপারেশন টেস্ট দিতে পারবে।

এই সিলেবাসে HSC স্তরের জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিজ্ঞানের সাথে Grammar নির্ভর ইংরেজি এবং বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী নিয়ে সাধারণ জ্ঞান- এই ৫টি বিষয়ে সাজানো আছে। একজন মেধাবী চৌকষ প্রার্থী নির্বাচনে এ ৫টি বিষয় যথাযথ। এখানে সাধারণ জ্ঞানে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সমসাময়িক ঘটনা, তথ্য-উপাত্তের বিষয়গুলো সংযোজন করে আমাদের বিশাল প্রশ্নের ভাণ্ডার তৈরি করা হয়েছে। আমাদের উপস্থাপিত কোর্সের পরীক্ষাসমূহে পুরো সিলেবাসটাই প্রার্থীর প্রস্তুতির উপযোগী করে তৈরি করা। এখান থেকে প্রস্তুতি নিয়ে একজন প্রার্থী নিজেকে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করতে পারবে। এই সিলেবাসের এবং আমাদের আয়োজন একজন প্রার্থীর প্রস্তুতি নেওয়ার উপযোগী যথেষ্ঠ আয়োজন।

প্রতিটি বিষয়ের সর্বশেষ তথ্য, তত্ত্ব সংযোজন করা হয়েছে। বিষয়কে ভালভাবে ধারণ করার জন্য সিলেবাসের সীমায় খুঁটিনাটি প্রশ্নও সংযোজন করা হয়েছে। কৌশলী বুদ্ধিদ্বীপ্ত প্রশ্নেও সাজানো হয়েছে। বিগত বছরের পরীক্ষার প্রশ্নও রাখা হয়েছে। আমাদের রকমারী প্রশ্ন আর বিগত প্রশ্নের সমন্বয়ে প্রার্থীকে সক্ষমতায় গড়ে তোলার মত করে সিলেবাসটি আমরা সাজিয়েছি।

এখানে অনুশীলন আর চর্চা করে প্রার্থীকে আস্থাবান করে তুলবে।

Mock Exam হুবহু MBBS ভর্তি পরীক্ষার মতো করে নেওয়া হবে। সঠিক উত্তরে পূর্ণ নম্বর, ভুল উত্তরে ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে। আমাদের কেন্দ্রে এসে পরীক্ষা দিতে হবে। মূল পরীক্ষার আগে ওয়ার্মআপ পরীক্ষা হিসেবে Mock Exam-টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও উপযোগী। একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৪টি Mock Exam দিতে পারবে।

একজন প্রার্থীকে কোচিং সেন্টারে গিয়ে প্রস্তুতি নিতে হয়। এতে ব্যয় অনেক। আবার যাতায়াত ও অন্যান্য কারণেও সময় নষ্ট হয়। এমন প্রস্তুতিক্ষণে প্রার্থীর সময় নষ্টের কোনোই সুযোগ নেই। আমাদের Online প্রিপারেশন টেস্ট কিংবা Mock Exam প্রার্থীর সময় এবং অর্থ সাশ্রয় করবে। প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রচলিত প্রথার চেয়ে আমরা একধাপ এগিয়ে। তাই আমাদের কোর্সটি ক্রয় করা প্রার্থীর জন্য সুবুদ্ধির পরিচয় বলেই মনে করি।

নির্ধারিত ফি দিয়ে পছন্দনীয় কোর্সে অংশ নিতে পারে একজন প্রার্থী। বিকাশের মাধ্যমে কোর্স ফি জমা দেওয়ার পর আমরা ম্যাসেজ নিশ্চিত হব। আমরা নিশ্চিত হওয়ার পাই তার জন্য নির্ধারিত প্যাকেজ একটিভ হবে।

নির্ধারিত মেয়াদে প্রার্থী কোনো পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে তা আপনা আপনি লক হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে ঐ লক হওয়া পরীক্ষায় পুনরায় অংশ নিতে হলে, তার পাসওয়ার্ড জানিয়ে ম্যাসেজ দিয়ে আমাদেরকে জানাতে হবে। আমরা যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেব। এভাবে একজন প্রার্থীকে ২ বারের বেশি সুযোগ দেওয়া হবে না।

যদি কোনো নতুন প্রশ্ন জানার থাকে বা কোনো প্রশ্ন সম্পর্কে মতামত বা আরও তথ্য-তত্ত্ব জানার থাকে, সে ব্যবস্থাও করা আছে। নির্ধারিত কমেন্ট বক্সে প্রশ্ন বা মতামতটি দিতে হবে। মতামত ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জানানো হবে। আর নতুন প্রশ্ন বা প্রশ্ন সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা হলে সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জানানো হবে।